সে এসে বসুক পাশে
এ গল্প এক নীরব দীর্ঘশ্বাসের, একাকীত্বের জমিনে ভালোবাসা আর শান্তির জন্য অপেক্ষার।
রেণু নামের এক নারীর হৃদয়ের পথে হেঁটে চলেছেন লেখক সাদাত হোসাইন; যেখানে জীবনের পুরোনো ক্ষতগুলি নোনা ধরা দেওয়ালের মতো দাঁড়িয়ে আছে।
সে শুধু চায়, তার নিস্তব্ধতার কিনারে কেউ একজন এসে বসুক—যে সব শূন্যতা পূর্ণ করে দেবে, যে শেখাবে—জীবন কেবল বিষাদের ভার নয়, বরং এটি হলো ভালো মুহূর্তের সুন্দর স্মৃতি,
যা দিয়ে সকল দুঃখের আবছায়া দূর করা সম্ভব।
এই উপন্যাস আসলে সেই আকুতি, যেখানে প্রতিটি পাঠক অনুভব করবেন,
জীবনে নতুন করে বেঁচে থাকার জন্য একজন নির্ভরতার মানুষ ঠিক কতখানি জরুরি।
এ যেন পুরোনো মেঘ সরে গিয়ে এক ঝলক নতুন রোদের দেখা পাওয়ার কাহিনি।
সাদাত হোসাইন (জন্ম: ১৯৮৪) একজন জনপ্রিয় সমসাময়িক বাংলাদেশী ঔপন্যাসিক, কবি এবং চলচ্চিত্র নির্মাতা। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নৃবিজ্ঞান বিষয়ে পড়াশোনা শেষ করে তিনি লেখালেখি ও নির্মাণে যুক্ত হন। তাঁর লেখার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো সহজ-সরল ভাষায় গভীর মানবিক আবেগ ও সম্পর্কের জটিলতা ফুটিয়ে তোলা, যা তাঁকে অল্প সময়ের মধ্যেই বিপুল পাঠকপ্রিয়তা এনে দিয়েছে। তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে ‘আরশিনগর’, ‘অন্দরমহল’, ‘মানবজনম’ এবং আলোচ্য উপন্যাস ‘সে এসে বসুক পাশে’। সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি হুমায়ূন আহমেদ সাহিত্য পুরস্কার সহ বিভিন্ন সম্মানে ভূষিত হয়েছেন।
“আসলে সব কষ্টের পথ হয়তো ভোলা যায় না, কিন্তু জীবনে নতুন করে ভালো মুহূর্তগুলো জমিয়ে তুলতে পারলে পুরোনো সেই ক্ষতগুলি ধীরে ধীরে আবছা হয়ে যায়। জীবনের রঙ হলো ভালো স্মৃতি। সেই স্মৃতিগুলোই তো বাঁচিয়ে রাখে।”
👉 [এখনই কিনুন] | 💝 [প্রিয়জনকে উপহার দিন]
“জীবনের রঙ হলো ভালো মুহূর্ত, সুন্দর স্মৃতি। তুমি জীবন জুড়ে যত বেশি ভালো স্মৃতি তৈরি করতে পারবে, তত বেশি ওই নোনা ধরা খারাপ মেমোরিজগুলো ঝাপসা হয়ে যেতে থাকবে। ক্ষতগুলো শুকিয়ে যেতে থাকবে।”