শেষ অধ্যায় নেই: সাদাত হোসাইনের শ্রেষ্ঠ থ্রিলার কিনুন!
সাদাত হোসাইন রচিত একটি থ্রিলার উপন্যাস “শেষ অধ্যায় নেই”- মাঝরাতে পাহাড়ের ঢাল ঘেঁষে ফিসফিস করে জেগে ওঠা ছায়ামূর্তি, গভীর রাতে কবরে কফিনের ডালা খুলে যাওয়া
“সে তো শুধু কালির অক্ষরে লেখা গল্প নয়, তা এক লেখকের নির্জন জীবনের প্রতিধ্বনি; যেখানে পাহাড়ের নীরবতা ফিসফিস করে ডেকে আনে এক অলৌকিক আতঙ্ক।
বাংলোর প্রতিটি ছায়া যেন লেখকেরই লেখা কোনো চরিত্র, যারা গভীর রাতে কফিনের ডালা খুলে ফিরে আসে!
কলম থামিয়ে লেখক দেখেন— তাঁর নিজেরই পাণ্ডুলিপির শেষ পাতাটি সাদা, সেখানে কোনো সমাধান নেই, আছে শুধু এক রহস্যময় চিঠি।
এই উপাখ্যান আসলে বাস্তব আর বিভ্রমের এক জটিল ধাঁধা, যেখানে লেখক জানেন না— তিনি গল্পের স্রষ্টা, নাকি নিজেই নিজেরই লেখার শিকার।
এই থ্রিলার আপনাকে প্রতি মুহূর্তে প্রশ্ন করবে: আসলেই কি এই গল্পের শেষ অধ্যায়টা নেই, নাকি সেই অধ্যায় লেখা আছে অন্য কোথাও… লেখকেরই ভাগ্যে?“
লেখক সাদাত হোসাইন বাংলাদেশের বর্তমান প্রজন্মের একজন অত্যন্ত জনপ্রিয় সাহিত্যিক। তিনি মূলত তাঁর আবেগঘন উপন্যাস এবং রহস্য-থ্রিলার লেখার জন্য সুপরিচিত। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে— ‘আরশিনগর’, ‘মানবজনম’, এবং ‘নিঃসঙ্গ নক্ষত্র’-এর মতো পাঠকপ্রিয় উপন্যাস। এছাড়াও, তিনি তাঁর তৈরি গোয়েন্দা চরিত্র এসআই রেজা-কে নিয়ে লেখা থ্রিলার সিরিজ (যেমন, ‘শেষ অধ্যায় নেই’ এবং ‘ছদ্মবেশ’)-এর জন্যও পাঠকমহলে সমাদৃত। লেখালেখির পাশাপাশি, তিনি ফটোগ্রাফি এবং চলচ্চিত্র নির্মাণেও তাঁর প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন।
“আমরা আসলে প্রত্যেকেই যার যার জীবনে এক-একটি রহস্যের পাণ্ডুলিপি। কিছু অধ্যায় আমরা লিখি, আর কিছু অধ্যায় হয়তো লেখা হয়ে ওঠে অন্য কারো হাত ধরে, যার শেষ অধ্যায়টি কখনোই সহজে জানা যায় না।”
👉 [এখনই কিনুন] | 💝 [প্রিয়জনকে উপহার দিন]
“সে তো শুধু কালির অক্ষরে লেখা গল্প নয়, তা এক লেখকের নির্জন জীবনের প্রতিধ্বনি; যেখানে পাহাড়ের নীরবতা ফিসফিস করে ডেকে আনে এক অলৌকিক আতঙ্ক।
বাংলোর প্রতিটি ছায়া যেন লেখকেরই লেখা কোনো চরিত্র, যারা গভীর রাতে কফিনের ডালা খুলে ফিরে আসে!
কলম থামিয়ে লেখক দেখেন— তাঁর নিজেরই পাণ্ডুলিপির শেষ পাতাটি সাদা, সেখানে কোনো সমাধান নেই, আছে শুধু এক রহস্যময় চিঠি।
এই উপাখ্যান আসলে বাস্তব আর বিভ্রমের এক জটিল ধাঁধা, যেখানে লেখক জানেন না— তিনি গল্পের স্রষ্টা, নাকি নিজেই নিজেরই লেখার শিকার।
এই থ্রিলার আপনাকে প্রতি মুহূর্তে প্রশ্ন করবে: আসলেই কি এই গল্পের শেষ অধ্যায়টা নেই, নাকি সেই অধ্যায় লেখা আছে অন্য কোথাও… লেখকেরই ভাগ্যে?“