জান্নাতুল নাঈমা রচিত একটি উপন্যাস “বাইজি কন্যা”- তিন জমিদারপুত্রের প্রেম, লালসা এবং প্রতিশোধের ত্রিমুখী লড়াই নিয়েই এই উপন্যাসের মূল কাহিনী আবর্তিত হয়েছে।
“সে তো শুধু নর্তকী নয়, সে এক ভাঙা আয়নার প্রতিচ্ছবি; যেখানে ঝলমলে রূপের আড়ালে লুকিয়ে আছে এক আকাশভরা বেদনা।
তার ঠুমকার তালে মেতে ওঠে রশিক জনের সভা, কিন্তু তার চোখের কোণে জমে থাকে না বলা ভালোবাসার নীরব কান্না।
সমাজ যাকে দিয়েছে ‘বাইজি কন্যা’র তকমা, সে তার নাচের মুদ্রায় ফুটিয়ে তোলে জীবনের সবটুকু আত্মমর্যাদা আর ভালোবাসার এক নিষিদ্ধ আর্তি।
এই উপাখ্যানে প্রেম আছে, আছে বিদ্রোহ, আর আছে নিয়তির এক করুণ খেলা— যা পাঠকের হৃদয়কে এক নিমেষে ছুঁয়ে যায়।”
জান্নাতুল নাঈমা বর্তমান সময়ের বাংলা সাহিত্যের একজন উদীয়মান জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক, যিনি প্রধানত রোমান্টিক সাসপেন্স এবং সামাজিক-ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের উপন্যাস রচনার জন্য পরিচিত। তাঁর লেখায় আবেগ, রোমান্স এবং সমাজের টানাপোড়েনের এক সুন্দর সংমিশ্রণ দেখা যায়, যার ফলস্বরূপ তিনি দ্রুত তরুণ পাঠক সমাজের কাছে জনপ্রিয়তা লাভ করেছেন। তাঁর পাঠকপ্রিয় ও বহুল আলোচিত কাজের মধ্যে “বাইজি কন্যা” অন্যতম।
“রূপের আঁধারে বন্দি থাকলেও, মন কখনও বাইজি হয় না। সেখানে থাকে কেবল মুক্তির আকাঙ্ক্ষা আর সত্যিকারের প্রেমের জন্য নীরব প্রার্থনা। বাইজি ঘরেও আত্মা মুক্তি খোঁজে।”
👉 [এখনই কিনুন] | 💝 [প্রিয়জনকে উপহার দিন]
“সে তো শুধু নর্তকী নয়, সে এক ভাঙা আয়নার প্রতিচ্ছবি; যেখানে ঝলমলে রূপের আড়ালে লুকিয়ে আছে এক আকাশভরা বেদনা।
তার ঠুমকার তালে মেতে ওঠে রশিক জনের সভা, কিন্তু তার চোখের কোণে জমে থাকে না বলা ভালোবাসার নীরব কান্না।
সমাজ যাকে দিয়েছে ‘বাইজি কন্যা’র তকমা, সে তার নাচের মুদ্রায় ফুটিয়ে তোলে জীবনের সবটুকু আত্মমর্যাদা আর ভালোবাসার এক নিষিদ্ধ আর্তি।
এই উপাখ্যানে প্রেম আছে, আছে বিদ্রোহ, আর আছে নিয়তির এক করুণ খেলা— যা পাঠকের হৃদয়কে এক নিমেষে ছুঁয়ে যায়।”