“টিএসসির উচ্ছ্বাস, কলরব, গিটারের হুল্লোড় আর ধোঁয়া উঠা চায়ের কাপে শুরু হয়েছিল যে বন্ধুত্ব, তা হঠাৎ বন্দি হয়ে গেল একটি নীল চিরকুটের খামে।
শাহবাগ গণগ্রন্থাগারের পুরোনো ফিলোসোফির বইয়ে সুবাস ছড়াল ঝরা বেলি। ক্যাফেটেরিয়া ছাড়ল দীর্ঘশ্বাস।
অনেকগুলো জীবনের কথা, দুঃখ, হাসি, সুর, অপেক্ষা ধূসর আলোর মতোন চিরন্তন হলো গোধূলি সন্ধ্যায়। মুক্ত পাখিরা গুটিয়ে নিলো ডানা।
গাঢ় বিষাদের অবেলায় সকলেরই সেকি উন্মুখ অপেক্ষা! কখন আসবে ডাকপিয়ন? কাটবে আঁধার। আসবে চিঠি। একটা গাঢ় নীল চিঠি।”
কামরুন নাহার মীম — সমকালীন বাংলা সাহিত্যের এক নতুন কণ্ঠ, যিনি মানুষের অনুভূতিকে শব্দে বুনে তোলেন।
তার লেখায় পাওয়া যায় নীরব যন্ত্রণা, মায়া, ও জীবনের রঙ।
“নীল চিরকুট” তার সবচেয়ে পরিণত ও হৃদয়ছোঁয়া উপন্যাস — যা পড়লে নিজের কিছু অংশ খুঁজে পাবেন গল্পের ভেতরেই।
“টিএসসির উচ্ছ্বাস, কলরব, গিটারের হুল্লোড় আর ধোঁয়া উঠা চায়ের কাপে শুরু হয়েছিল যে বন্ধুত্ব, তা হঠাৎ বন্দি হয়ে গেল একটি নীল চিরকুটের খামে।
শাহবাগ গণগ্রন্থাগারের পুরোনো ফিলোসোফির বইয়ে সুবাস ছড়াল ঝরা বেলি। ক্যাফেটেরিয়া ছাড়ল দীর্ঘশ্বাস।
অনেকগুলো জীবনের কথা, দুঃখ, হাসি, সুর, অপেক্ষা ধূসর আলোর মতোন চিরন্তন হলো গোধূলি সন্ধ্যায়। মুক্ত পাখিরা গুটিয়ে নিলো ডানা।
গাঢ় বিষাদের অবেলায় সকলেরই সেকি উন্মুখ অপেক্ষা! কখন আসবে ডাকপিয়ন? কাটবে আঁধার। আসবে চিঠি। একটা গাঢ় নীল চিঠি।”
“টিএসসির উচ্ছ্বাস, কলরব, গিটারের হুল্লোড় আর ধোঁয়া উঠা চায়ের কাপে শুরু হয়েছিল যে বন্ধুত্ব, তা হঠাৎ বন্দি হয়ে গেল একটি নীল চিরকুটের খামে।
শাহবাগ গণগ্রন্থাগারের পুরোনো ফিলোসোফির বইয়ে সুবাস ছড়াল ঝরা বেলি। ক্যাফেটেরিয়া ছাড়ল দীর্ঘশ্বাস।
অনেকগুলো জীবনের কথা, দুঃখ, হাসি, সুর, অপেক্ষা ধূসর আলোর মতোন চিরন্তন হলো গোধূলি সন্ধ্যায়। মুক্ত পাখিরা গুটিয়ে নিলো ডানা।
গাঢ় বিষাদের অবেলায় সকলেরই সেকি উন্মুখ অপেক্ষা! কখন আসবে ডাকপিয়ন? কাটবে আঁধার। আসবে চিঠি। একটা গাঢ় নীল চিঠি।”