চৈত্র মাসের রুক্ষতা আর শূন্যতার মতোই যেন এই গল্পের প্রতিটি চরিত্র এক অস্থির হাহাকারের সঙ্গী।
যেমন বইয়ের এক জায়গায় বলা হয়েছে, “ভেতরের সবটুকু রং মরে গেলে কি আর নতুন করে রঙ লাগে?
ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া দিনগুলো কেবল ধূসর স্মৃতি বহন করে চলে।”
এটি সেই কাহিনী, যেখানে প্রেম আসে বসন্তের স্পর্শ হয়ে, কিন্তু জীবন তাকে চিরে দেয় এক তীক্ষ্ণ ফাটলে।
সম্পর্কের বাঁধন আলগা হয়, প্রত্যাশা শুকিয়ে যায় চৈত্র দিনের পাতাঝরার মতো।
তবুও, ভাঙনের শেষে এক টুকরো আশা কি থেকে যায় না, পুরোনো বসন্তের কোনো গোপন কোণে?
এই উপন্যাসে সেই চৈত্র মাসেরই প্রতিচ্ছবি, যা একদিকে সমাপ্তি টানে, আবার তারই গভীরে লুকিয়ে থাকে নতুন শুরুর নীরব প্রতিশ্রুতি।
মম সাহা (বিষাদিনী) — সমকালীন বাংলা সাহিত্যের এক গভীর অনুভূতির লেখক।
তার লেখায় ব্যথা ও সৌন্দর্য পাশাপাশি হাঁটে।
“চিত্ত চিরে চৈত্র মাস” তার সবচেয়ে আত্মিক উপন্যাস,
যেখানে প্রতিটি পৃষ্ঠা যেন এক নারীর হৃদয়ের স্পন্দন।
তোমার হৃদয়ের চৈত্রকে চিনতে প্রস্তুত?
“চিত্ত চিরে চৈত্র মাস” — এক উপন্যাস, যেখানে বিষাদও পায় অর্থ।
অর্ডার করুন – সীমিত কপি উপলব্ধ]
চৈত্র মাসের রুক্ষতা আর শূন্যতার মতোই যেন এই গল্পের প্রতিটি চরিত্র এক অস্থির হাহাকারের সঙ্গী।
যেমন বইয়ের এক জায়গায় বলা হয়েছে, “ভেতরের সবটুকু রং মরে গেলে কি আর নতুন করে রঙ লাগে?
ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া দিনগুলো কেবল ধূসর স্মৃতি বহন করে চলে।”
এটি সেই কাহিনী, যেখানে প্রেম আসে বসন্তের স্পর্শ হয়ে, কিন্তু জীবন তাকে চিরে দেয় এক তীক্ষ্ণ ফাটলে।
সম্পর্কের বাঁধন আলগা হয়, প্রত্যাশা শুকিয়ে যায় চৈত্র দিনের পাতাঝরার মতো।
তবুও, ভাঙনের শেষে এক টুকরো আশা কি থেকে যায় না, পুরোনো বসন্তের কোনো গোপন কোণে?
এই উপন্যাসে সেই চৈত্র মাসেরই প্রতিচ্ছবি, যা একদিকে সমাপ্তি টানে, আবার তারই গভীরে লুকিয়ে থাকে নতুন শুরুর নীরব প্রতিশ্রুতি।
চৈত্র মাসের রুক্ষতা আর শূন্যতার মতোই যেন এই গল্পের প্রতিটি চরিত্র এক অস্থির হাহাকারের সঙ্গী।
যেমন বইয়ের এক জায়গায় বলা হয়েছে, “ভেতরের সবটুকু রং মরে গেলে কি আর নতুন করে রঙ লাগে?
ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া দিনগুলো কেবল ধূসর স্মৃতি বহন করে চলে।”
এটি সেই কাহিনী, যেখানে প্রেম আসে বসন্তের স্পর্শ হয়ে, কিন্তু জীবন তাকে চিরে দেয় এক তীক্ষ্ণ ফাটলে।
সম্পর্কের বাঁধন আলগা হয়, প্রত্যাশা শুকিয়ে যায় চৈত্র দিনের পাতাঝরার মতো।
তবুও, ভাঙনের শেষে এক টুকরো আশা কি থেকে যায় না, পুরোনো বসন্তের কোনো গোপন কোণে?
এই উপন্যাসে সেই চৈত্র মাসেরই প্রতিচ্ছবি, যা একদিকে সমাপ্তি টানে, আবার তারই গভীরে লুকিয়ে থাকে নতুন শুরুর নীরব প্রতিশ্রুতি।
চৈত্র মাসের রুক্ষতা আর শূন্যতার মতোই যেন এই গল্পের প্রতিটি চরিত্র এক অস্থির হাহাকারের সঙ্গী।
যেমন বইয়ের এক জায়গায় বলা হয়েছে, “ভেতরের সবটুকু রং মরে গেলে কি আর নতুন করে রঙ লাগে?
ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া দিনগুলো কেবল ধূসর স্মৃতি বহন করে চলে।”
এটি সেই কাহিনী, যেখানে প্রেম আসে বসন্তের স্পর্শ হয়ে, কিন্তু জীবন তাকে চিরে দেয় এক তীক্ষ্ণ ফাটলে।
সম্পর্কের বাঁধন আলগা হয়, প্রত্যাশা শুকিয়ে যায় চৈত্র দিনের পাতাঝরার মতো।
তবুও, ভাঙনের শেষে এক টুকরো আশা কি থেকে যায় না, পুরোনো বসন্তের কোনো গোপন কোণে?
এই উপন্যাসে সেই চৈত্র মাসেরই প্রতিচ্ছবি, যা একদিকে সমাপ্তি টানে, আবার তারই গভীরে লুকিয়ে থাকে নতুন শুরুর নীরব প্রতিশ্রুতি।