নির্বাসন
সাদাত হোসাইন রচিত “নির্বাসন” একটি সমসাময়িক উপন্যাস – মায়া ও ভালোবাসার অবাধ্য টানে মানুষের জীবনে আসা জটিলতা এবং সম্পর্কের টানাপোড়েনই এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য বিষয়।
“‘নির্বাসন’ উপন্যাসের মূল সুর হলো ‘অপ্রকাশিত ভালোবাসা এবং মায়ার জটিলতা’।
এই আখ্যানে লেখক গভীর মনস্তাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখিয়েছেন যে, কীভাবে সমাজের ভয়, অহংকার বা পরিস্থিতির চাপে মানুষ তাদের গভীরতম ভালোবাসা ও কোমল অনুভূতিগুলো প্রকাশ করতে পারে না। এই অপ্রকাশিত আবেগই চরিত্রগুলোর জীবনে নিয়ে আসে এক অদৃশ্য ‘নির্বাসন’—যা একাকীত্ব, ভুল বোঝাবুঝি কিংবা চিরন্তন আক্ষেপের রূপ নেয়।
উপন্যাসের প্রতিটি চরিত্র নিজেদের মনের গভীরে থাকা জটিল মায়ার বাঁধনে আবদ্ধ। সেই মায়ার টানাপোড়েনই তাদের সম্পর্কগুলিকে বিচ্ছেদ ও অনিবার্য পরিণতির দিকে চালিত করে, যা পাঠককে জীবন, প্রেম ও সম্পর্কের নিগূঢ় অর্থ নিয়ে গভীরভাবে ভাবতে উৎসাহিত করে।”
“নির্বাসন”
“নির্বাসন”
সাদাত হোসাইন বাংলাদেশের বর্তমান প্রজন্মের অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং বহুল পঠিত একজন লেখক, যিনি মূলত উপন্যাস, ছোটগল্প ও কবিতা লিখে থাকেন। ১৯৯০ সালে মাগুরায় জন্মগ্রহণকারী এই লেখক তাঁর লেখনীর মাধ্যমে অল্প সময়ের মধ্যেই পাঠক মহলে পরিচিতি লাভ করেন। তাঁর উপন্যাসের মূল উপজীব্য বিষয় হলো মানুষের গভীর আবেগ, সম্পর্কের টানাপোড়েন, প্রেম এবং জীবনবোধের জটিলতা। সাদাত হোসাইন তাঁর লেখায় অত্যন্ত সাবলীল ও মনস্তাত্ত্বিক গদ্যশৈলী ব্যবহার করেন, যা পাঠককে সহজেই চরিত্রের গভীরে নিয়ে যায়। তিনি কেবল লেখক নন, একজন আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত আলোকচিত্রী ও চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবেও সুপরিচিত। তাঁর জনপ্রিয় উপন্যাসগুলোর মধ্যে ‘নির্বাসন’, ‘মানবজনম’, ‘আরশিনগর’, ‘অন্দরমহল’ এবং ‘ছায়াবাজ’ অন্যতম, যা তাঁকে বাংলা সাহিত্যের সমসাময়িক ধারায় একটি বিশেষ স্থান দিয়েছে।
যদি এমন এক জীবনে বাঁচতে চান, যেখানে ভালোবাসা প্রকাশ পায় না শুধু আড়াল থেকে—তবে প্রস্তুত হোন ‘নির্বাসন’-এর সেই মায়া-জটিল পথে পা রাখার জন্য।
👉 [এখনই কিনুন] | 💝 [প্রিয়জনকে উপহার দিন]