শেষ চৈত্রের ঘ্রাণ
নূরজাহান আক্তার আলো রচিত “শেষ চৈত্রের ঘ্রাণ” একটি রোমান্টিক উপন্যাস – রাজনৈতিক আদর্শ ও ক্ষমতার মোহে প্রেমিকের বিসর্জন দেওয়া ভালোবাসা এবং সেই স্মৃতি নিয়ে প্রেমিকার নীরব আত্মদহনের কাব্যিক আখ্যানই হলো ‘শেষ চৈত্রের ঘ্রাণ’।
“নূরজাহান আক্তার আলোর ‘শেষ চৈত্রের ঘ্রাণ’ উপন্যাসটি আবর্তিত হয়েছে আদর্শবাদী রাজনীতিবিদ শোয়াইব শুদ্ধ এবং তার ‘সঞ্জীবনী ফুল’ শীতল-এর আবেগঘন অথচ করুণ প্রেমের গল্পকে কেন্দ্র করে।
যখন শুদ্ধ তার স্বপ্ন ও আদর্শের চূড়ায় পৌঁছানোর উন্মাদনায় ক্ষমতার মোহকে বেছে নেয়, তখন সে এক নির্মম সিদ্ধান্তে তার জীবনের সবচেয়ে বড় আশ্রয়, শীতলকে নিষ্ঠুরভাবে বিসর্জন দেয়।
এই উপন্যাসটি দেখায় কীভাবে রাজনীতি এবং ক্ষমতালিপ্সা একটি গভীর ও পবিত্র প্রেমকে নির্দয়ভাবে গ্রাস করে। সেই বিচ্ছেদের পর শীতল তার মনের গভীরে যে নীরব আত্মদহন ও গভীর ক্ষত বহন করে, তারই এক কাব্যিক প্রতিচ্ছবি হলো এই আখ্যান।
মূলত, এটি হলো ক্ষমতা বনাম ভালোবাসার এক তীব্র দ্বন্দ্বে ভালোবাসার অনিবার্য পরাজয় এবং সেই হারিয়ে যাওয়া সম্পর্কের স্থায়ী ঘ্রাণ বা তীক্ষ্ণ নস্টালজিয়ার মর্মস্পর্শী দলিল।”
নূরজাহান আক্তার আলো সমসাময়িক বাংলা সাহিত্যের একজন জনপ্রিয় লেখিকা, যিনি মূলত তাঁর রোমান্টিক এবং মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসগুলোর জন্য পরিচিত। তাঁর লেখনী আধুনিক জীবনের জটিলতা, মানব-মানবীর সূক্ষ্ম আবেগ এবং সম্পর্কের টানাপোড়েনকে অত্যন্ত দরদ দিয়ে ফুটিয়ে তোলে। তিনি এমন সব কাহিনি রচনা করেন, যেখানে প্রেম কেবল ভালোবাসা নয়—তা হয়ে ওঠে আদর্শের সংঘাত, ক্ষমতা ও বিচ্ছেদের এক নিবিড় দলিল। তাঁর লেখার ভাষা সহজ, তবে তা গভীর আবেগ এবং মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে পাঠককে সহজে আকৃষ্ট করে।
‘শেষ চৈত্রের ঘ্রাণ’ উপন্যাসের মতো জনপ্রিয় সৃষ্টিগুলির মাধ্যমে তিনি তরুণ প্রজন্মের কাছে বিশেষভাবে পরিচিতি লাভ করেছেন, যেখানে তিনি গ্রামীণ বা শহুরে পটভূমিতে দাঁড়িয়ে থাকা চরিত্রগুলোর ভেতরের কথা তুলে ধরেন। তাঁর লেখায় পাঠক একইসঙ্গে রোমান্টিকতা, বিচ্ছেদজনিত নস্টালজিয়া এবং সমকালীন সমাজের প্রতিচ্ছবি খুঁজে পান।
“সে কেবল একটি নাম ছিল না; সে ছিল এক অমোঘ অঙ্গীকার—যা ক্ষমতার উন্মত্ত রাজনীতির লেলিহান শিখায় একদিন সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছিল।”
👉 এখনই কিনুন [শেষ চৈত্রের ঘ্রাণ] | 💝 [প্রিয়জনকে উপহার দিন]